শুক্রবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ || সময়- ৩:০৩ am

আলফাল লজিষ্টিক এন্ড মটরস পার্টস মার্কেট নেটওয়ার্ক

পরিবহন ঠিকাদার ও সরবরাহকারী

আজকের টিপস।। গাড়ি সাজানোয় আছে কিছু বিধিনিষেধও। বহুল প্রচলিত কিন্তু না মানা একটি আইনের কথা জানলে হয়তো অবাক হবেন আপনিও। গাড়িতে কালো গ্লাস ব্যবহারে আছে কড়া নিষেধাজ্ঞা। রাজধানীর যানবাহন চলাচলে কালো গ্লাসে নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারটি সম্পর্কিত একটি আইন ২০১১ সালের নভেম্বর থেকে কার্যকর আছে। এ আইনে কালো গ্লাস ব্যবহারে মামলা দায়েরসহ সর্বোচ্চ দুই হাজার ও সর্বনিম্ন ১০০ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে সর্বোচ্চ চার মাস থেকে এক মাসের কারাদণ্ডের বিধান।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও ট্রাফিক বিভাগ কার্যালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, গাড়ির ওয়াইপার, লুকিং গ্লাস, হেডলাইটে কালো রং থাকলে এবং পূর্বে শাস্তি হওয়ার পরেও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া গাড়ি চালালে দুই হাজার টাকা জরিমানা অথবা তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হবে।

এ ছাড়া নগরবাসী নিরাপদে সড়ক ব্যবহারে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং আইন মেনে গাড়ি চালাবেন বলে আশা করেছে ট্রাফিক বিভাগ। 

উদ্ভিদ থেকে গাড়ির যন্ত্রাংশ !

অনলাইন ডেক্স: কর্মকর্তারা জানান, এ ন্যানো ফাইবার ব্যবহার করে এমন কিছু যন্ত্রাংশ উৎপাদন করা হবে যা দিয়ে গাড়ি ও বাসাবাড়ি নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী তৈরি করা সম্ভব হবে। এ প্রযুক্তি বিশ্ব উষ্ণায়ন মোকাবিলায় সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। অধিকাংশ উদ্ভিদের দেহপ্রাচীর সেলুলোজ দিয়ে তৈরি। এ সেলুলোজ প্রাণীদেহের শক্তির জোগানদাতা গ্লুুকোজ অণুর একটি রাসায়নিক পলিমার। বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি সেলুলোজ থেকে ন্যানো ফাইবার তৈরির প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেছেন। উদ্ভিদের সেলুলোজ থেকে ‘ন্যানো ফাইবার’ তৈরি করে তৃতীয় প্রজন্মের গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরি করা হবে। জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের আশা, জাপানের মোটরগাড়ি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলো এ বিষয়ে আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠবে। শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, আগামী বছরের শুরুতে প্রকল্পটির কাজ শুরু হবে। এতে ব্যয় হবে তিন কোটি মার্কিন ডলার। পরিবেশ মন্ত্রণালয় আরও জানায়, গাছপালার কোষগুলোকে রেজন নামক একটি রাসায়নিক পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে শক্ত তন্তু প্রস্তুত করা হয়। এ তন্তু থেকে সংগ্রহ করা হবে সেলুলোজ ন্যানো ফাইবার যা মানুষের একটি চুলের ২০ হাজার ভাগের এক ভাগের মতো সরু। এ ফাইবার লোহার চেয়ে অন্ততপক্ষে পাঁচগুণ শক্ত আর ওজনের দিক থেকে পাঁচ গুণ হালকা। এর সাহায্যে নির্মিত মোটরগাড়ি ওজনে হালকা হবে আর তা জ্বালানি ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। ওয়েবসাইট।

 

 

ল্যাপটপ সাইজের এই গাড়ি

অনলাইন ডেক্স: ঘটনাটি শুনে বিস্মিত হতে পারেন অনেকেই। কিন্তু ঘটনা সত্যি। কুনিয়াকো সেইতো নামের ২৬ বছর বয়সী ওই প্রকৌশলী যে গাড়ি তৈরি করেছেন তা সহজেই আপনার কাঁধ ব্যাগে বহন করতে পারবেন। প্রযুক্তির এই যুগেও আমরা চলাফেরায় নানা কষ্ট ভোগ করে থাকি। বিশেষ করে গাড়ির জন্য নিয়মিত অপেক্ষা তো একটা যন্ত্রণার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এবার সেই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে এগিয়ে এসেছেন জাপানের এক প্রকৌশলী। তিনি এমন একটা গাড়ি আবিষ্কার করেছেন যা ব্যাগের মধ্যেও রাখা যাবে।ল্যাপটপ সাইজের এই গাড়িকে ওয়াককার বলেও ডাকা হয়।  পিঁড়ির মতো দেখতে গাড়িটি ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটার বেগে চলবে। আর ১২ কিলোমিটার পর্যন্ত চালাতে হলে চার্জ দিতে হবে ৩ ঘণ্টা। এটি ১২০ কেজি ওজনের ব্যক্তি বা বস্তু বহন করতে পারবে। গাড়িতে উঠলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে শুরু করবে। আর নামতে চাইলে হালকা করে পা নামিয়ে দিলেই হবে। যে দিকে চালক যেতে চাইবেন সেদিকে শরীর বাঁকিয়ে দিলেই হবে। সবচেয়ে ছোট্ট এই গাড়িটির দাম পড়বে মাত্র ৪শ’ মার্কিন ডলার।আবার প্রয়োজন হলে যাতায়াতের কাজেও ব্যবহার করতে পারবেন। গাড়ি রাখার জন্য কোনো পার্কিংয়ের জায়গা দরকার হবে না। উৎপাদকারী প্রতিষ্ঠান কোকোয়া মোটর্স এই গাড়ির নামই দিয়েছে ‘কার ইন অ্যা ব্যাগ’। অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি এই গাড়ির ওজন মাত্র দুই থেকে তিন কেজি। চলবে লিথিয়ামের ব্যাটারি দ্বারা। সম্প্রতি কোকোয়া মোটর্স গাড়িটি সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করেছে। 

 
আর্কাইভ